কর্মসংস্থানসংক্রান্ত সিদ্ধান্তে গ্রেপ্তার ও অপরাধের রেকর্ড বিবেচনা নিয়ে ২০১২ সালে অনুমোদিত নির্দেশিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করেছে ইউএস ইকুয়াল এমপ্লয়মেন্ট অপরচুনিটি কমিশন (ইইওসি)। সিভিল রাইটস অ্যাক্টের টাইটেল সেভেন-এর আওতাধীন এই প্রয়োগ নির্দেশিকা বাতিলের সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, এই নির্দেশিকা প্রত্যাহারের ফলে ২০১২ সালের পূর্ববর্তী বাতিল হওয়া কোনো নীতি আবার স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফিরে আসবে না। একই সঙ্গে এর ভিত্তিতে নিয়োগকর্তারা যে বৈধ নীতিমালা বা কর্মপদ্ধতি গ্রহণ করেছিলেন, তা-ও বাধ্যতামূলকভাবে বাতিল বা পরিবর্তন করতে হবে না।
ইইওসি চেয়ার অ্যান্ড্রিয়া লুকাস জানান, এই নির্দেশিকা প্রত্যাহারের মাধ্যমে কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব ও কংগ্রেস নির্ধারিত এখতিয়ারের প্রতি প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিয়োগকর্তাদের বেআইনি বৈষম্যমূলক আচরণ করার কোনো সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। সিভিল রাইটস অ্যাক্টের টাইটেল সেভেন অনুযায়ী জাতিগত কিংবা জাতীয় উৎস বা বংশোদ্ভূত পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্য নিষিদ্ধই থাকছে এবং কমিশন এসব সুরক্ষা অব্যাহতভাবে প্রয়োগ করবে।
বেসরকারি খাতে কর্মসংস্থানে বৈষম্য প্রতিরোধে তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্বপ্রাপ্ত একমাত্র ফেডারেল সংস্থা হলো ইইওসি। অন্যদিকে সরকারি খাতের ক্ষেত্রে সংস্থাটি বিচার বিভাগের (ডিওজে) সিভিল রাইটস ডিভিশনের সঙ্গে সমন্বয় করে এখতিয়ার প্রয়োগ করে থাকে।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
এই নির্দেশিকা প্রত্যাহারের ফলে টাইটেল সেভেন-এর আওতায় চাকরিপ্রার্থীদের অতীত ফৌজদারি রেকর্ড যাচাইয়ের বিষয়ে কেন্দ্রীয় প্রয়োগ কাঠামোতে পরিবর্তন এল, তবে জাতিগত বা জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য নিষিদ্ধের মৌলিক আইন অপরিবর্তিত থাকছে।
সূত্র: Equal Employment Opportunity Commission (EEOC)










