স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য গুগল সার্চ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) সেবাকে একীভূত করার ঘোষণা দিয়েছে গুগল। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো স্কুল কর্তৃপক্ষ যদি শিক্ষার্থীদের জন্য গুগলের এআই ফিচার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে শিক্ষার্থীরা আর গুগল সার্চও ব্যবহার করতে পারবে না।
গুগলের শিক্ষা বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রিস ফিলিপস জানিয়েছেন, সার্চ সেবা এবং এআই এখন একে অপরের সাথে গভীরভাবে যুক্ত। ফলে স্কুল কর্তৃপক্ষ এআই ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করলে শিক্ষার্থীরা সার্চ সেবায় প্রবেশ করতে পারবে না এবং তাদের স্ক্রিনে স্কুল থেকে সেবাটি বন্ধ রাখা হয়েছে মর্মে বার্তা দেখানো হবে। একই সাথে স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য ‘গাইডেড লার্নিং’ (Guided Learning) নামে একটি এআই সুবিধা আনছে গুগল, যা সরাসরি উত্তর না দিয়ে ধাপে ধাপে জটিল অঙ্ক বা পদার্থবিদ্যার সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে।
গুগলের এমন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে সমালোচনা শুরু হয়েছে। নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি অভিযোগ করেছেন, গুগল তাদের সার্চ ইঞ্জিনের একচেটিয়া প্রভাব ব্যবহার করে স্কুলগুলোকে এআই সেবা গ্রহণে বাধ্য করছে। একই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ফেডারেল ট্রেড কমিশনের (FTC) সাবেক প্রধান লিনা খান। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে এআই ব্যবহারের ওপর স্কুলের নিয়ন্ত্রণ কতটা থাকবে, তা নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
গুগল সার্চ ও এআই প্রযুক্তির এই বাধ্যতামূলক সমন্বয়ের ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের ইচ্ছামতো এআই টুলস নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে, যা প্রযুক্তি খাতের একচেটিয়া ক্ষমতা ও শিক্ষার স্বাধীনতা নিয়ে বড় নীতিগত প্রশ্ন তৈরি করেছে।
সূত্র: Ei Samay










