কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি নিজের একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। মাছরাঙা টেলিভিশনের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক পেজে লাইভে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
লাইভে পরীমনি প্রশ্ন তোলেন, এত বড় ও প্রভাবশালী একটি গণমাধ্যমের কাছে নোটিশ যাওয়ার পরও এক ঘণ্টার মধ্যে কেন ভিডিওটি নামিয়ে ফেলা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কেবল দুঃখ প্রকাশ করলেই ঘটনার দায় শেষ হয়ে যায় না। কারণ এ ধরনের ঘটনা একজন মানুষের ব্যক্তিগত সম্মান, সামাজিক অবস্থান ও মানসিক স্বস্তির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।
পরীমনির ভাষ্য অনুযায়ী, ভিডিওটি নতুন নয়। প্রায় এক থেকে দেড় বছর আগেও অনেকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তাঁকে ভিডিওটি পাঠিয়েছিলেন। তবে সম্প্রতি একটি পরিচিত গণমাধ্যমের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে সেটি নতুন করে প্রকাশিত হওয়ায় তা ব্যাপক পরিসরে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
একটি বড় গণমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে কোনো কনটেন্ট প্রকাশিত হলে সাধারণ মানুষের কাছে সেটির গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে উল্লেখ করে অভিনেত্রী বলেন, এআই প্রযুক্তি দিয়ে ভুয়া ভিডিও বাস্তবসম্মতভাবে তৈরি করা যায়, যা জনমনে ভুল ধারণা তৈরি করে। তাই এমন স্পর্শকাতর কনটেন্ট প্রকাশের আগে উৎস যাচাই করা এবং অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা অপসারণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
পরিচিত গণমাধ্যমের প্ল্যাটফর্ম থেকে এআই-নির্মিত বিভ্রান্তিকর ভিডিও প্রকাশ ব্যক্তির ভাবমূর্তি ও ব্যক্তিগত মর্যাদায় বড় আঘাত হানতে পারে। এই ঘটনা গণমাধ্যমে ভুয়া কনটেন্ট যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা এবং অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের বিষয়টি সামনে এনেছে।
সূত্র: Daily Amader Shomoy











