যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থা (USCIS) জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি থেকে শুরু করে সংস্থাটি প্রায় ২২ লাখ অভিবাসন সংক্রান্ত প্রয়োগমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। এর আওতায় যোগ্যতাহীন ব্যক্তিদের স্ট্যাটাস প্রত্যাহার বা বাতিল করা হয়েছে।
সংস্থাটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যাটি পূর্ববর্তী প্রশাসনের শেষ দুই বছরের সম্মিলিত প্রয়োগমূলক পদক্ষেপের তুলনায় প্রায় সাত গুণ বেশি। ইউএসসিআইএস-এর এই কার্যক্রমের বাইরে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর (Department of State) কর্তৃক ভিসা বাতিল বা প্রত্যাখ্যান এবং ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) পরিচালিত বহিষ্কারাদেশের মতো পদক্ষেপগুলো আলাদাভাবে কার্যকর রয়েছে।
অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা দপ্তরের (DHS) সেক্রেটারি মার্কওয়েন মুলিন বলেন, প্রশাসন অভিবাসন আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে। যেসব ব্যক্তি অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার বা নিয়ম লঙ্ঘন করছেন, তাদের ক্ষেত্রে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া অব্যাহত থাকবে।
সংস্থাটি জানায়, আবেদনপত্রের যাচাই-বাছাই ও স্ক্রিনিং জোরদার করা হয়েছে। ভিত্তিহীন আবেদন সরাসরি নাকচ, অননুমোদিত সুবিধা বাতিল এবং যারা শর্ত ভঙ্গ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করার ক্ষেত্রে ইউএসসিআইএস তাদের পূর্ণ আইনি এখতিয়ার প্রয়োগ করছে। অভিবাসন সুবিধা সংক্রান্ত জালিয়াতি বা অপব্যবহারের তথ্য জানানোর জন্য একটি অনলাইন টিপ ফর্ম ব্যবহারের আহ্বানও জানিয়েছে সংস্থাটি।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
এই পদক্ষেপের মাধ্যমে স্পষ্ট হচ্ছে যে ইউএসসিআইএস শুধু আবেদন প্রক্রিয়াকরণেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং অনুমোদিত সুবিধা পুনর্বিবেচনা এবং কঠোর প্রয়োগমূলক পদক্ষেপেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে। এতে যে কোনো আবেদনের তথ্যগত অসঙ্গতির ক্ষেত্রে কঠোর প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে।
আপনার কী করা উচিত?
- 1ইউএসসিআইএস-এ জমা দেওয়া যে কোনো অভিবাসন সংক্রান্ত আবেদন বা তথ্যের যথার্থতা নিশ্চিত করতে সতর্ক থাকুন।
- 2প্রয়োজনে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে ইউএসসিআইএসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (USCIS.gov) থেকে হালনাগাদ নির্দেশনা যাচাই করুন বা লাইসেন্সধারী অভিবাসন আইনজীবীর পরামর্শ নিন।
সূত্র: USCIS












