একটি শান্তিপূর্ণ সমাজের অন্যতম প্রধান শর্ত মানুষের জীবন, সম্পদ ও সম্মানের নিরাপত্তা। তবে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও অন্যায়ভাবে সম্পদ হরণ সমাজের সেই নিরাপত্তাকে বিঘ্নিত করে। সন্ত্রাস সহিংসতা ও অস্ত্রের মাধ্যমে মানুষের জীবন ও নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে, আর চাঁদাবাজি প্রভাব বা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে মানুষের অর্থনৈতিক নিরাপত্তায় আঘাত হানে। উভয়ের মূল সাদৃশ্য হলো ভয় সৃষ্টি করে অন্যের অধিকার কেড়ে নেওয়া।
ইসলামী বিধানে পৃথিবীতে বিপর্যয় বা 'ফাসাদ ফিল-আরদ' সৃষ্টি করা স্পষ্টভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে সমাজে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা সৃষ্টি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ রয়েছে। একইভাবে ভয় দেখিয়ে বা চাপ প্রয়োগ করে অন্যের সম্পদ গ্রহণ করাকে অন্যায়ভাবে সম্পদ আত্মসাতের শামিল হিসেবে গণ্য করা হয়েছে, যা কোরআনে সরাসরি নিষেধ করা হয়েছে।
বিদায় হজের ভাষণে রাসুলুল্লাহ (সা.) মানুষের জীবন ও সম্পদকে পবিত্র ও অলঙ্ঘনীয় ঘোষণা করেছিলেন। সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিকে জুলুম হিসেবে চিহ্নিত করে হাদিসে এ ধরনের কাজ থেকে সতর্ক করা হয়েছে, যা কিয়ামতের দিন কঠিন পরিণতির মুখোমুখি করবে। এছাড়া অন্যায়ভাবে অর্থ আদায়কারী সম্পর্কে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে বলা হয়েছে, অন্যের অধিকার নষ্ট করলে কেবল মুখে তাওবা করাই যথেষ্ট নয়; বরং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পদ ফিরিয়ে দিয়ে বা ক্ষমা চেয়ে নিজেকে দায়মুক্ত করা আবশ্যক।
সূত্র: banglanews24.com










