যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)-এর তথ্য অনুযায়ী, কোমল পানীয় প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান পেপসিকো দেশজুড়ে বিক্রি হওয়া প্রায় ১ লাখ ২২ হাজার কেস গেটোরেড বাজার থেকে প্রত্যাহার (রিকল) করেছে। পানীয়গুলোতে এমন কিছু কৃত্রিম রং ব্যবহার করা হয়েছিল, যা পণ্যের লেবেলে উল্লেখ ছিল না।
এফডিএ জানিয়েছে, এই প্রত্যাহারের আওতায় রয়েছে ২৮ আউন্সের বোতলের চারটি নির্দিষ্ট ফ্লেভার—গেটোরেড লেমন লাইম, গেটোরেড লেমন লাইম জিরো, গেটোরেড অরেঞ্জ এবং গেটোরেড অরেঞ্জ জিরো। নিয়ন্ত্রক সংস্থার মতে, এসব পানীয় তৈরিতে কৃত্রিম রং ‘ইয়েলো নম্বর ৫’ এবং ‘ইয়েলো নম্বর ৬’ ব্যবহৃত হলেও মোড়কে তা স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি।
পেপসিকো গত ২৫ সেপ্টেম্বর এই প্রত্যাহার কার্যক্রম শুরু করে। পরবর্তীতে ২ অক্টোবর এফডিএ এটিকে ‘ক্লাস টু’ (Class II) মাত্রার রিকল হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করে। এফডিএ-র নিয়ম অনুযায়ী, ক্লাস টু রিকল বলতে বোঝায় যে এসব পণ্য ব্যবহারে সাময়িক বা চিকিৎসার মাধ্যমে নিরাময়যোগ্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এই রিকলের শনাক্তকারী নম্বর দেওয়া হয়েছে H-0009-2027।
এফডিএ-র বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মোট ৩৭টি অঙ্গরাজ্যে এসব পানীয় সরবরাহ করা হয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, ক্যালিফোর্নিয়া, টেক্সাস, ফ্লোরিডা, পেনসিলভানিয়া, জর্জিয়া, ইলিনয়, মিশিগান, ওহাইও, ওয়াশিংটনসহ আরও বেশ কিছু অঙ্গরাজ্য।
যেসব ক্রেতা ইতোমধ্যে এই পণ্যগুলো কিনেছেন, তারা রিফান্ড বা ক্ষতিপূরণ পাবেন কি না সে বিষয়ে পেপসিকোর পক্ষ থেকে এখনও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
খাদ্য ও পানীয়ের উপাদানে 'ইয়েলো ৫' বা 'ইয়েলো ৬'-এর মতো কৃত্রিম রঙের উল্লেখ না থাকা স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে। এফডিএ এটিকে ক্লাস টু রিকল হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যার অর্থ হলো সংবেদনশীল ব্যক্তিরা এগুলো পান করলে সাময়িক বা চিকিৎসায় নিরাময়যোগ্য স্বাস্থ্য জটিলতায় পড়তে পারেন।
আপনার কী করা উচিত?
- 1বাসায় সংরক্ষিত ২৮ আউন্সের গেটোরেড লেমন লাইম, লেমন লাইম জিরো, অরেঞ্জ বা অরেঞ্জ জিরো ফ্লেভারের বোতল থাকলে তা পরীক্ষা করুন।
- 2কৃত্রিম রঙের প্রতি সংবেদনশীলতা বা অ্যালার্জি থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গরাজ্যগুলো থেকে কেনা এসব পানীয় গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকুন।
সূত্র: CBS New York










