১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ বছরের উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন পরীক্ষার্থী।
শনিবার বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। উদ্বোধনের পর থেকেই নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং অনলাইনে একযোগে ফলাফল দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রথমে ২৯ অক্টোবর ফল প্রকাশের কথা থাকলেও পরবর্তীতে তা পরিবর্তন করে শনিবার নির্ধারণ করা হয়।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ–৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৫ সালে প্রথমে ৬৯ হাজার ৯৭ জন এবং পরবর্তীতে পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নে আরও ৩ হাজার ৭৯ জনসহ মোট জিপিএ–৫ পেয়েছিলেন ৭২ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। আর ২০২৪ সালে এ সূচকে ফল অর্জন করেছিলেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন।
এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ২ জুলাই। নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখের বেশি, যদিও তাদের মধ্যে কিছু পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট (eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd) থেকে ফল জানতে পারবেন। এ ছাড়া যেকোনো মুঠোফোন থেকে নির্ধারিত ফরম্যাটে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাচ্ছে। ফলাফলে অসন্তুষ্ট পরীক্ষার্থীদের জন্য আগামী ১ থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ ও পুনর্মূল্যায়নের আবেদন গ্রহণ করা হবে।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
আগের দুই বছরের তুলনায় এবার সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যায় বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে, যা উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তির প্রতিযোগিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
আপনার কী করা উচিত?
- 1অনলাইনে eduboardresults.gov.bd অথবা educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে।
- 2মুঠোফোন থেকে ফল জানতে HSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর ও সাল লিখে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠানো যাবে।
- 3উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ বা পুনর্মূল্যায়নের প্রয়োজন হলে ১ থেকে ৭ নভেম্বরের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
সূত্র: Prothom Alo


















