যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জয় নিশ্চিত করতে জুলাই থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ২৭৬ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছেন ইলন মাস্ক। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের বরাতে প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম দ্য ভার্জ জানিয়েছে, এর মাধ্যমে মাস্ক দলটির শীর্ষ পরিচিত অর্থদাতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন।

এই অনুদানের একটি বড় অংশ গেছে সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার মূল সুপার প্যাক 'সিনেট লিডারশিপ ফান্ড'-এ। তহবিলটিতে মাস্ক দিয়েছেন ১৫৮ মিলিয়ন ডলার, যা মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ অনুদান। বিশেষ করে টেক্সাসে রিপাবলিকানদের সিনেট আসন ধরে রাখার লড়াইয়ে এই তহবিল কাজ করছে, যেখানে মাস্কের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের একটি বড় কেন্দ্র অবস্থিত।

এ ছাড়া ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রচারণার উদ্দেশ্যে ২০২৪ সালে মাস্কের প্রতিষ্ঠিত 'আমেরিকা প্যাক'-এ দেওয়া হয়েছে ৭৬ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। পাশাপাশি প্রতিনিধি পরিষদের রিপাবলিকানদের সহায়তাকারী সুপার প্যাক 'কংগ্রেশনাল লিডারশিপ ফান্ড'-এ ২০ মিলিয়ন ডলার, টেক্সাসে কেন প্যাক্সটনের সিনেট প্রার্থিতাকে সমর্থনকারী 'লোন স্টার লিবার্টি প্যাক'-এ ১০ মিলিয়ন ডলার, রিপাবলিকান গভর্নরদের সংগঠনে ১০ মিলিয়ন ডলার এবং রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেলদের সংগঠনে ২ মিলিয়ন ডলার দিয়েছেন তিনি।

২০২৫-২৬ সালের পুরো নির্বাচনী চক্র মিলিয়ে মাস্ক ফেডারেল কমিটিগুলোতে মোট প্রায় ৩৬৬ মিলিয়ন ডলার অনুদান দিয়েছেন। এটি ২০২৪ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে তাঁর দেওয়া ২৯০ মিলিয়ন ডলারের চেয়েও বেশি। যদিও গত বছরের মে মাসে রাজনৈতিক অনুদান কমিয়ে আনার কথা বলেছিলেন তিনি, বাস্তব চিত্র দেখা যাচ্ছে ভিন্ন।

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ

এই বিপুল অঙ্কের অনুদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার প্রচারণায় মাস্ককে সবচেয়ে প্রভাবশালী অর্থদাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে, যা ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চেয়েও বড় আকারে অর্থায়নের নজির তৈরি করেছে।

সূত্র: দ্য ভার্জ