যুক্তরাষ্ট্রে আর্থিক প্রতারণা ও জালিয়াতি ধরিয়ে দিতে ২৫ মিলিয়ন ডলার তহবিলের নতুন একটি হুইসেলব্লোয়ার কর্মসূচি চালু করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং স্বতন্ত্র সাংবাদিক নিক শার্লির উপস্থিতিতে ট্রাম্প ‘ফ্রড হুইসেলব্লোয়ার ইনসেনটিভ প্রোগ্রাম’ (WHIP) নামের এই উদ্যোগটির ঘোষণা দেন। ট্রাম্প জানান, এই কর্মসূচির আওতায় কারা পুরস্কার পাবেন, সেই সিদ্ধান্ত তিনি ব্যক্তিগতভাবে নেবেন।
নতুন এই কর্মসূচির তত্ত্বাবধান করবে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস)। বিচার বিভাগ একটি নতুন ফেডারেল রিপোর্টিং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে জনসাধারণের কাছ থেকে প্রতারণাসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করবে।
কর্মসূচির রূপরেখা অনুযায়ী, যেসব তথ্যের ভিত্তিতে কাউকে প্রতারণার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা যাবে অথবা বড় ধরনের ফেডারেল আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে, সেসব তথ্যদাতাকে সর্বোচ্চ ৩০ হাজার ডলার পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, বড় আকারের অর্থ উদ্ধারের ক্ষেত্রে তথ্যদাতারা প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী উদ্ধার হওয়া অর্থের ১ শতাংশ পর্যন্ত কমিশন পেতে পারেন। ট্রাম্প উল্লেখ করেন, কারও দেওয়া তথ্যে যদি ১ বিলিয়ন ডলার উদ্ধার হয়, তবে সংশ্লিষ্ট তথ্যদাতাকে ১ শতাংশ অর্থ দেওয়া হবে।
মিনেসোটায় সন্দেহভাজন জালিয়াতির বিষয়ে তথ্য তুলে ধরার স্বীকৃতি হিসেবে ট্রাম্প স্বতন্ত্র সাংবাদিক নিক শার্লিকে ১০ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফেডারেল সরকার বড় ধরনের আর্থিক জালিয়াতি ও প্রতারণা শনাক্ত করতে সাধারণ নাগরিক ও তথ্যদাতাদের সরাসরি নগদ পুরস্কার দিয়ে যুক্ত করছে, যা বিচার বিভাগের প্রতারণাবিরোধী নজরদারিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।
সূত্র: Parichoy


















