লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায়ের পর নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় জাতীয় দলের মূল চালিকাশক্তি ছিলেন মেসি। তার সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দিও। এই দুই সিনিয়র তারকার অবসরের পর আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) দলটির পরবর্তী দুটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের প্রতিপক্ষ ও সূচি চূড়ান্ত করেছে।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৩ নভেম্বর ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা। বুয়েনস আয়ার্সে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী উরুগুয়ে। ঐতিহ্যবাহী ‘রিও দে লা প্লাতা’ ডার্বিটি বোকা জুনিয়র্সের বিখ্যাত লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে আয়োজনের জোর সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বরে এই মাঠেই বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে উরুগুয়ের কাছে হেরেছিল লিওনেল স্কালোনির দল।

পরের ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ১৭ নভেম্বর কর্দোবার মারিও আলবের্তো কেম্পেস স্টেডিয়ামে। সেখানে আলবিসেলেস্তেদের মোকাবিলা করবে কোস্টারিকা। চলতি মাসেই এই ভেন্যুতে বলিভিয়াকে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা।

মেসি ও ওতামেন্দি দলের বাইরে চলে যাওয়ায় নেতৃত্বের দায়িত্বেও পরিবর্তন আসছে। নতুন অধিনায়ক হিসেবে ডিফেন্ডার ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর বাহুতে আর্মব্যান্ড উঠবে। তবে মেসির ঐতিহাসিক ১০ নম্বর জার্সি কে পাবেন, সে বিষয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে তাড়াহুড়োও করতে চাইছে না। ২০২৭ সালের মার্চে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শুরুর আগে তরুণ ফুটবলারদের ঝালিয়ে নেওয়া ও দলের কৌশলগত গভীরতা বাড়ানোই এখন কোচ স্কালোনির মূল লক্ষ্য।

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ

মেসি ও ওতামেন্দির বিদায়ের পর দলের নেতৃত্ব এবং কৌশলগত রূপরেখা নতুন করে সাজাতে হচ্ছে আর্জেন্টিনাকে। আসন্ন ম্যাচ দুটি নতুন অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ান রোমেরো এবং তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ তৈরি করবে।

সূত্র: Daily Manab Zamin