কর্মক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে আলোচনায় বড় অবকাঠামো বা কর্মী প্রতিস্থাপনের চেয়ে কর্মীদের দৈনন্দিন কাজের অপ্রয়োজনীয় চাপ কমানোতেই আসল সুফল মিলছে বলে পর্যবেক্ষণ প্রকাশ করেছেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তারা। এন্টারপ্রেনার সাময়িকীতে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে জানানো হয়, এআই-এর মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত বিভিন্ন সিস্টেমের মাঝখানের পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ দূর করে কর্মীদের মূল কাজে মন দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন বা ভর্তি কার্যক্রমের উদাহরণ টেনে সেখানে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্লেট (Slate), সেলসফোর্স (Salesforce), ব্যানার (Banner) কিংবা পিপলফট (PeopleSoft)-এর মতো সিআরএম ও স্টুডেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম ব্যবহৃত হয়। কিন্তু এসব বড় প্ল্যাটফর্ম থাকা সত্ত্বেও কর্মীদের প্রতিদিন ম্যানুয়ালি অসংখ্য নথি নামানো, আপলোড করা কিংবা আবেদন যাচাইয়ের মতো ছোট ছোট কাজে প্রচুর সময় ব্যয় করতে হয়।
প্রতিটি আলাদা নথির কাজ কয়েক সেকেন্ডের মনে হলেও হাজার হাজার আবেদনকারীর ক্ষেত্রে তা কয়েক সপ্তাহের বাড়তি পরিশ্রমে রূপ নেয়। গ্রাহক সেবা, আর্থিক হিসাব বা স্বাস্থ্যসেবার মতো নানা ক্ষেত্রেও এক সফটওয়্যার থেকে অন্য সফটওয়্যারে তথ্য আদান-প্রদান করতে গিয়ে একই ধরনের জটিলতা দেখা দেয়। পুরো অবকাঠামো রাতারাতি বদলে ফেলার বদলে বিদ্যমান ব্যবস্থার মাঝের এই অদৃশ্য ঘাটতিগুলো দূর করাই প্রযুক্তির বাস্তবসম্মত ব্যবহার বলে বিশ্লেষণে তুলে ধরা হয়।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যবহৃত সফটওয়্যার সম্পূর্ণ পরিবর্তন করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও জটিল। এর বদলে বিদ্যমান ডেটা ও সিস্টেমের মধ্যে সমন্বয় ঘটাতে এআই ব্যবহার করলে কর্মীদের সময় বাঁচে এবং অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ঝামেলা কমে।
সূত্র: Entrepreneur










