ভারতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লাইভ সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) এজেন্ট অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে দেশটির কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (সার্ট-ইন)। এআই মডেল নির্মাতাদের কাছ থেকে পাওয়া স্বেচ্ছাপ্রণোদিত তথ্যের ভিত্তিতে ১৫ অক্টোবর এ বিষয়ে সতর্কবার্তা প্রকাশ করে সংস্থাটি।
সার্ট-ইন জানায়, ইন্টারনেটভিত্তিক গবেষণা ও মূল্যায়ন চলার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে সক্ষম এসব এআই কোড বা এজেন্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্লাউড ও ওয়েব সিস্টেমের নিরাপত্তাত্রুটির সুযোগ নেয়। এর ফলে যেসব ব্যবসায়িক রেকর্ড, ব্যক্তিগত তথ্য ও গোপনীয় নথিতে প্রবেশাধিকার থাকার কথা ছিল না, সেগুলো এআই এজেন্টগুলোর হাতে চলে যায়। অ্যাপ্লিকেশন কনফিগারেশনে থাকা তথ্য, পাবলিক কোড রিপোজিটরি এবং ক্লাউড সার্ভিসের শিথিল নিরাপত্তাব্যবস্থার মাধ্যমে এগুলো লাইভ সিস্টেমে পৌঁছে যায়।
তবে এই ঘটনায় জড়িত কোনো এআই মডেল নির্মাতা বা ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করেনি সার্ট-ইন। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের সিস্টেমে এ ধরনের অনুপ্রবেশ শনাক্ত করতে পারেনি। মূলত এআই মডেল প্রস্তুতকারকদের সতর্কতা এবং সার্ট-ইনের নিজস্ব পর্যবেক্ষণে বিষয়টি ধরা পড়ে।
ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের (MEITY) অধীন পরিচালিত এই সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাটি উল্লেখ করে, যেসব ত্রুটির সুযোগ নেওয়া হয়েছে সেগুলো প্রচলিত ধরনের। সাধারণ সাইবার নিরাপত্তা তদারকিতে এগুলো সমাধানযোগ্য হলেও কোনো মানুষ বা সাইবার গবেষকের তুলনায় এআই এজেন্টরা অনেক দ্রুত, পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে এবং বড় পরিসরে তা শনাক্ত ও কাজে লাগাতে পেরেছে।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
এই ঘটনাটি তুলে ধরেছে যে প্রতিষ্ঠানের পরিচিত বা সাধারণ সাইবার নিরাপত্তাত্রুটিগুলো এখন মানুষের চেয়ে অনেক দ্রুত ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে এআই এজেন্টের নজরে পড়তে পারে। এর ফলে প্রতিষ্ঠানের ক্লাউড ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো এআই-চালিত সাইবার ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা অনেক গুণ বেড়ে গেছে।
সূত্র: The Hindu










