কমিউনিটি গাইডলাইন বা নীতিমালা লঙ্ঘন করায় চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল থেকে জুন) বাংলাদেশ থেকে আপলোড করা ১ কোটি ৪৭ লাখ ৯১ হাজার ৪৮৫টি ভিডিও মুছে ফেলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক। প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশিত সর্বশেষ ‘কমিউনিটি গাইডলাইনস এনফোর্সমেন্ট’ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এই সংখ্যা উক্ত সময়ে বাংলাদেশ থেকে টিকটকে আপলোড হওয়া মোট ভিডিওর প্রায় শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যবহারকারীরা কোনো অভিযোগ জানানোর আগেই টিকটকের নিজস্ব স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির মাধ্যমে এসব ভিডিওর ৯৯ দশমিক ৮ শতাংশ শনাক্ত করে সরিয়ে ফেলা হয়। এছাড়া মোট মুছে ফেলা ভিডিওর ৯২ দশমিক ৭ শতাংশই আপলোডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করা হয়েছে। তবে পরবর্তীতে পর্যালোচনার পর ২ লাখ ৫ হাজার ১টি ভিডিও প্ল্যাটফর্মে পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
একই প্রান্তিকে বিশ্বজুড়ে টিকটক মোট ১৮ কোটি ৮২ লাখ ৯৮ হাজার ১৪১টি ভিডিও মুছে ফেলেছে, যা বিশ্বব্যাপী আপলোড হওয়া মোট ভিডিওর প্রায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। এর মধ্যে ১৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৪ হাজার ৭০৭টি ভিডিও শনাক্ত করা হয়েছিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে। বিশ্বব্যাপী পর্যালোচনা শেষে ৬২ লাখ ৬২ হাজার ৩৮৩টি ভিডিও ফেরত আনে প্ল্যাটফর্মটি।
ভিডিও সরানোর পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক হারে অ্যাকাউন্টও মুছে ফেলেছে টিকটক। এই তিন মাসে প্ল্যাটফর্মটি থেকে ১৪ কোটি ৬৮ লাখ ৭ হাজার ৪০০টি ভুয়া অ্যাকাউন্ট সরানো হয়েছে। এছাড়া ১৩ বছরের কম বয়সী অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্দেহে আরও ২ কোটি ৬৮ লাখ ৪০ হাজার ৭৬৭টি অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলেছে কর্তৃপক্ষ।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ
ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা রক্ষা ও ভুয়া কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে টিকটক তাদের স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিধি বাড়িয়েছে, যার ফলে প্ল্যাটফর্মে আপলোড করা বেশিরভাগ আপত্তিকর ভিডিও সাধারণ ব্যবহারকারীদের চোখে পড়ার আগেই দ্রুত সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
সূত্র: Prothom Alo










