সিলেট টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এক ঐতিহাসিক ইনিংস খেলে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন বাংলাদেশের ব্যাটার তাওহিদ হৃদয়। দলের বিপর্যয়ের মুখে নেমে শেষ পর্যন্ত ২৪২ রানে অপরাজিত থেকে ইনিংস শেষ করেন তিনি।

মিরপুরে আগের টেস্টে অসময়ে শট খেলতে গিয়ে আউট হওয়ার হতাশা পেছনে ফেলে সিলেটে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের পরিচয় দেন হৃদয়। দলের সংগ্রহ যখন ২২ রানে ২ উইকেট, তখন উইকেটে আসেন তিনি। প্রথম দিন শেষে ২৯ রানে অপরাজিত থেকে শুরু করে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজের ইনিংসকে বড় রূপ দেন।

হৃদয়ের এই ইনিংসে ধৈর্য এবং আক্রমণের চমৎকার ভারসাম্য ছিল। প্রথম ৫০ রান করতে তিনি খেলেন ১০৯ বল। পরের ৫০ রান আসে মাত্র ৬২ বলে। ১৫০ থেকে ডাবল সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে খেলেন ৬৯ বল। শেষ ব্যাটসম্যানদের সঙ্গে নিয়ে একাই লড়াই চালিয়ে যান তিনি। শেষ দুই উইকেট জুটিতে তাইজুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে যোগ করেন ১৭২ রান। তাসকিন আউট হওয়ার সময় হৃদয় অপরাজিত থাকেন ২৪২ রানে।

মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের পর চতুর্থ বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করলেন তাওহিদ হৃদয়। তবে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে নিজের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিকেই ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দেওয়ার কীর্তি গড়লেন তিনি, যা এসেছে তাঁর ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট ইনিংসে। তাঁর এই দৃঢ়চেতা ইনিংসে ভর করেই প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে লিড পায় বাংলাদেশ।

কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ

মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের পর চতুর্থ বাংলাদেশি হিসেবে টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করলেন তাওহিদ হৃদয়। নিজের অভিষেক টেস্ট সেঞ্চুরিকেই প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপ দিলেন তিনি, যা তাঁর ষষ্ঠ টেস্ট ইনিংসে এসেছে।