যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ লবিং সংস্থা নিয়োগ করে বিপুল অর্থ খরচের খবরকে ‘বিভ্রান্তিকর’ আখ্যা দিয়ে বিবৃতি দিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MEA)। সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ মন্ত্রণালয়ের ফ্যাক্ট চেক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে জানানো হয়েছে, ওয়াশিংটনে দূতাবাসগুলোর জন্য লবিং সংস্থা নিয়োগ করা একটি স্বাভাবিক নিয়ম এবং ভারত ১৯৪৮ সাল থেকেই এ ধরনের প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করে আসছে।
সম্প্রতি ভারতের একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ওয়াশিংটনের ভারতীয় দূতাবাস প্রভাব বিস্তারের জন্য ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠদের পরিচালিত সংস্থাকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনে মার্কিন ‘ফরেন এজেন্টস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট’ (FARA)-এর নথির বরাত দিয়ে বলা হয়, ‘এসএইচডব্লিউ পার্টনার্স’কে মাসে দেড় লাখ ডলার এবং ‘মার্কারি পাবলিক অ্যাফেয়ার্স’কে মাসে ৭৫ হাজার ডলার দেওয়া হয়েছিল। এর বিনিময়ে মে ও জুন মাসে দিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের ফোনালাপের ব্যবস্থা করা হয়। এমনকি নরেন্দ্র মোদিকে দেওয়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি শুভেচ্ছাবার্তাও এই লবিংয়ের অংশ ছিল বলে ওই নথির বরাতে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল।
এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৈরি হওয়া বিতর্কের মুখে অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সমস্ত তথ্য উন্মুক্ত বা পাবলিক ডোমেইনেই রয়েছে এবং এটি কোনো গোপন বিষয় নয়। একই সঙ্গে তারা উল্লেখ করেছে, মার্কারি পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের দাখিল করা নথিতে পরিষ্কার বলা হয়েছে যে তারা কেবল এক্স-এর একটি পোস্ট প্রচার বা ডিসেমিনেট করেছিল।
সূত্র: Sangbad Pratidin


















